রাজধানীর এ্যালিফ্যান্ট রোড থেকে পঁচিশ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব

টিবিটি নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ আমার অহংকার এই শ্লোগান নিয়ে র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মাদক দ্রব্য উদ্ধারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের যুব সমাজ তথা নতুন প্রজন্ম’কে মাদকের নীল দংশন হতে পরিত্রান এবং সমাজে মাদকের ভয়াল থাবার বিস্তার রোধকল্পে মাদক বিরোধী অভিযানে অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাবও কঠোর অবস্থান নিয়ে আসছে এবং নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সন্ত্রাস, চরমপন্থী ও ধর্মীয় জঙ্গিবাদ নির্মূলের পাশাপাশি মাদক বিরোধী অভিযানে র‌্যাব বলিষ্ঠ পদক্ষেপ রেখে চলেছে। গোয়েন্দা ও নিয়মিত আভিযানিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মাদকের চোরাচালান, চোরাকারবারী, চোরাচালানের রুট, মাদকস্পট, মাদকদ্রব্য মজুদকারী ও বাজারজাতকারীদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেফতারসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। র‌্যাব-২ সব সময়ই মাদকের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ অবদান রেখে চলেছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪/০৫/২০১৮খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক ১৫.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-২ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, রাজধানীর নিউমার্কেট থানাধীন ২৬/১-২, এ্যালিফ্যান্ট রোডস্থ ইষ্টার্ন মল্লিকা শপিং কমপ্লেক্স এর নিচ তলা ইষ্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এর এটিএম বুথের সামনে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী নিষিদ্ধ নেশা জাতীয় ট্যাবলেট (ইয়াবা) এর বড় একটি চালান সরবরাহ করার জন্য অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-২এর আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামীরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা কালে ১। সোলাইমান (৩০), পিতা- মোঃ আব্দুল হাফেজ, সাং-গারাংগিয়া, থানা-সাতকানিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম. ২। মোঃ লোকমান হাকিম(৬১), পিতা- মৃত-আজিজুর রহমান, সাং- ডেলপাড়া, থানা- টেকনাফ, জেলা- কক্সবাজার’কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা অতি লাভের আশায়, রাতারাতি বড়লোক হবার নেশায়,নিষিদ্ধ এ মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। তারা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সুকৌশলে ইয়াবা ট্যাবলেট (মাদক) রাজধানীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে দীর্ঘদিন যাবৎ সরবরাহ করে আসছে। ধৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাচাই বাছাই করে ভবিষ্যতে এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।